সম্পাদকীয় ফরম্যাট: উৎসের বরাত দিয়ে প্রকাশিত সাক্ষাৎকার ধাঁচের নিবন্ধ।
প্রতিযোগিতার মানে
ফাউন্ডারের ভাষায়, আন্তর্জাতিক টেক জায়ান্টদের সঙ্গে টেকনিক্যালি পাল্লা দিতে হলে রিসার্চ থ্রুপুট ও ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিন একসাথে চালাতে হয়। ছোট টিমের সুবিধা হলো দ্রুত সিদ্ধান্ত ও নিশ্চিত নিশ।
বাংলাদেশের ভূমিকা
রিমোট কাজ, আউটসোর্সিং ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম মিলিয়ে দেশ এখন গ্লোবাল চেইনের অংশ। AI বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে শিক্ষা, ফান্ডিং ও ডেটা ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ওপর।
“গুগলের সাথে চার বছর কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা বলতে আমরা বুঝি—স্কেল ও গবেষণায় টিকে থাকতে হলে ফোকাস আর টিম কালচার অপরিহার্য। AI বাংলাদেশের ফিউচার—ট্যালেন্ট যদি ধরে রাখা যায়।”
সমাপনি: নীতিনির্ধারক ও বিনিয়োগকারীদের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া ডিপটেক একা দীর্ঘমেয়াদি স্কেল করতে পারে না।